বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের সুপারিশ


তরফ বার্তা প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ৯:৩২ অপরাহ্ন /
বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের সুপারিশ

 

বাহুবল প্রতিনিধিঃ বাহুবল উপজেলার বার্ষিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (এডিপি) ২০২১-২২ এর আওতায় উপজেলার লোহাখলা থেকে ভেড়াখাল রাস্তায় সিসি ঢালাই কাজের নথি ফেরত না দেওয়া সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। জানা যায়, গত ২৯জুন শায়েস্তাগঞ্জের মেসার্স সানজিদা এন্টার প্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী ঠিকাদার মোহাম্মদ আব্দুল জলিল ২০২১-২২ অর্থবছরে এডিপি’র আওতায় (ইজিপি) টেন্ডার আইডি ৬৯০৪০৮) উপজেলার লোহাখলা থেকে ভেড়াখাল রাস্তায় সিসি ঢালাই করণ কাজের বিল প্রাপ্তি এবং কাজে বাধা প্রদানকারী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) কে আহবায়ক করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। উক্ত তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত শেষে ওই কাজের বিল ঠিকাদার প্রাপ্য ছিল বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তারা উল্লেখ করেন, বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বাক্ষরিত উক্ত উন্নয়ন কাজের বিলের নথি বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান স্বাক্ষর না করে ফেরত দেওয়ায় উক্ত জটিলতা সৃষ্টি হয়। তারই প্রেক্ষিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বিধি মোতাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান উক্ত বিলের নথিতে স্বাক্ষর না করে জটিলতা সৃষ্টি করায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য তার স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর প্রেরণ করেন। এখানে উল্লেখ্য যে, লোহাখলা থেকে ভেড়াখাল রাস্তায় সিসি ঢালাই করণ কাজের একটি বিলের নথি গত ২৭ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ে স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হলে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নথিতে স্বাক্ষর করে উক্ত নথিটি উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান এর দপ্তরে প্রেরণ করেন। কিন্ত উপজেলা চেয়ারম্যান কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করায় ২৮ জুন রাত ১২ টার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিল এন্ট্রি বন্ধ হয়ে গেলে উক্ত উন্নয়ন কাজের বিল প্রদান করা সম্ভব হয়নি। যার কারনে শুরু হয় বিরাট জটিলতা।